মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী এবং আরবি ভাষা শিখতে আগ্রহীদের জন্য আমাদের এই আয়োজনে আপনাকে স্বাগতম। আজ শিখুন দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত কিছু আরবি শব্দ, মুখস্ত করুন এবং চর্চা করুন। এভাবেই একদিন আপনি আরবি কথোপকথনে পারদর্শী হয়ে উঠবেন।
লিখেছেন: তামীম রায়হান (কাতার প্রবাসী লেখক ও সাংবাদিক)
(রং)
শব্দ: লাওন।
অর্থ: রং।
শব্দ: মুলাওওয়ান।
অর্থ: রঙিন।
শব্দ: আসওয়াদ।
অর্থ: কালো।
শব্দ: আবইয়াদ।
অর্থ: সাদা।
শব্দ: আজরাক।
অর্থ: নীল
শব্দ: আখদার।
অর্থ: সবুজ।
শব্দ: আহমার।
অর্থ: লাল।
শব্দ: আছফার।
অর্থ: হলুদ।
বাক্য: যাহাবি।
অর্থ: সোনালি।
শব্দ: ফিদদি।
অর্থ: রূপালি।
শব্দ: গামেক।
বাক্য: গাঢ় (রং)
শব্দ: ওয়ারদি।
অর্থ: গোলাপি।
শব্দ: বুরতুকালি।
অর্থ: কমলা।
শব্দ: রামাদি।
অর্থ: ধূসর।
শব্দ: সামায়ি।
অর্থ: আকাশি নীল।
মনে রাখুন :
আরবিতে শব্দের সাথে রং ব্যবহারের সময় আগে শব্দ এবং পরে রং আসবে।অর্থাৎ বাংলা ভাষার ঠিক উল্টো রীতি অনুযায়ী। যেমন, ‘কালো কলম’ বোঝাতে হলে বলতে হবে ‘কলম আসওয়াদ’, ‘সবুজ রং’ বোঝাতে হলে বলতে হবে ‘লাওন আখদার’।
আরবি ভাষায় শব্দসমূহ দু প্রকারের হয়ে থাকে: পুরুষবাচক ও নারীবাচক। যেসব শব্দের শেষে ‘আহ’ উচ্চারণ থাকে, সেগুলো সাধারণত নারীবাচক শব্দ হয়ে থাকে। যেমন, সাইয়ারাহ (গাড়ি), মদিনাহ (শহর), আছেমাহ (রাজধানী) ইত্যাদি। এ ধরণের নারীবাচক শব্দের বেলায় রং বোঝাতে হলে বলতে হবে, বায়দাহ (সাদা), ছাওদাহ (কালো), খাদরাহ (সবুজ), হামরাহ (লাল) ইত্যাদি। যেমন বলুন, লাল গাড়ি- ‘ছাইয়ারাহ হামরাহ’। এ বিষয়ে বিস্তারিত থাকছে আগামী পর্বে।
